চলমান সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে একটি সংশোধিত ১৪ দফার নতুন শান্তি পরিকল্পনা জমা দিয়েছে ইরান। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তেহরান। ইরানের এই নতুন শান্তি প্রস্তাবের পর এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অনুরোধে তেহরানের ওপর নির্ধারিত সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর আল জাজিরার।
যুদ্ধ বন্ধে
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের দেওয়া জবাব রোববার প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে নিজেদের জবাব দিয়েছিল তেহরান।
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক প্রস্তাবটি এখনো পর্যালোচনা করছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে তারা। তবে যুক্তরাষ্ট্র জবাব চায় আজই।
শুক্রবার (৮ মে) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তবে যেকোনো ধরনের ‘আগ্রাসন ও হঠকারিতার’ জবাব দিতে তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য শান্তি আলোচনাকে ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, চলতি সপ্তাহান্তেই দুই দেশের প্রতিনিধিরা আবার আলোচনায় বসতে পারেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধের অবসানে ফোনালাপে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য আলোচনায় অংশ নিতে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের উপায় জানিয়েছে ইরান। দেশটি বলছে, হামলাকারী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে থামানো গেলেই যুদ্ধ বন্ধ হবে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) তেহরানের একটি স্কুলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবার ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করেছে মস্কো, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন। তবে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা শেষ করার পর যুদ্ধ বন্ধে এবার রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।